আমাদের প্রোডাক্ট

এডুপ্রবাহ

এক প্ল্যাটফর্মে পুরো স্কুল — রেজিস্টার খাতা ডিজিটাল রূপে। হাজিরা, পরীক্ষা ও ফলাফল, টাকায় ফি ও বেতন, আঁকা ফ্লোর প্ল্যানসহ সিট প্ল্যান, রুটিন, অভিভাবক পোর্টাল এবং দুটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ। বাংলাদেশে অটোপ্রবাহর নিজের হাতে তৈরি, eduprobaho.com-এ লাইভ চলছে।

ডেমো স্কুল ঘুরে দেখুন — সবার জন্য খোলা

এটি প্রোডাকশন প্ল্যাটফর্মের একটি আসল, লাইভ স্কুল — বাস্তবসম্মত ডেটায় ভরা। স্কুল অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে সাইন ইন করে যেকোনো কিছুতে ক্লিক করুন — এটা সবার জন্য রাখা স্যান্ডবক্স, ঘেঁটে দেখার জন্যই।

এটি একটি শেয়ার্ড, পাবলিক ডেমো — দয়া করে আসল ব্যক্তিগত তথ্য দেবেন না। ডেমো স্কুল মাঝে মাঝে রিসেট হয়।

ডেমো স্কুল
https://demo.eduprobaho.com
ইমেইল
demo.admin@eduprobaho.com
পাসওয়ার্ড
Sch-6HmyrzACS
ডেমো স্কুল খুলুন

লগইনওয়ালা ওয়েবসাইট নয় — স্কুলের গোটা দিন

এডুপ্রবাহ আলাদা আলাদা টুল জোড়া দিয়ে বানানো কিছু নয়। এক সিস্টেম, এক ডেটাবেস, এক ডিজাইন — যা সকাল ৯টায় প্রধান শিক্ষকের প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়: কে এসেছে, কোন রেজিস্টার এখনো ওঠেনি, গতকাল কত টাকা এলো, কার কাছে কত বকেয়া।

প্ল্যাটফর্মের প্রতিটি স্কুল একই সফটওয়্যার চালায়; পার্থক্য শুধু কনফিগারেশন, সাবস্ক্রাইব করা মডিউল আর চালু করা অপশনে। তাই কোনো স্ক্রিন উন্নত হলে সেদিনই প্রতিটি স্কুল তা পায়। স্কুল একবারই সংস্করণ বেছে নেয়: ইংরেজি বা বাংলা — দুটো পাশাপাশি নয়, একটাই পরিচ্ছন্ন চেহারা। বাংলাটাও মানুষ যেভাবে বলে সেভাবে (হাজিরা, ফলাফল, ফি, রসিদ), আর রোল, ফোন নম্বর, টাকার অঙ্ক — সব ডিজিট কাগজের মতোই ইংরেজি অঙ্কে।

EduProbaho-কে কাজ করতে দেখুন

একটি সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক ভিডিও: EduProbaho কী এবং প্রতিদিন একটি স্কুল কীভাবে পরিচালনা করে।

একটি আসল স্কুল, স্ক্রিনে স্ক্রিনে

নিচের প্রতিটি স্ক্রিনশট লাইভ ওয়াকথ্রু স্কুলের — রোলে ২,০০০ শিক্ষার্থী — ডিজাইন মকআপ নয়।

ড্যাশবোর্ড সকাল ৯টার প্রশ্নের উত্তর দেয়: কে এসেছে, কোন রেজিস্টার খোলা, কত টাকা এলো-গেল, কী নজর চায়।
শিক্ষকের ওয়ার্কস্পেস: নিজের সেকশন, নিজের রেজিস্টার, নিজের পেপার — অনুমতি ছাড়া অ্যাডমিন স্ক্রিন নেই।
রেজিস্টার তোলা: শিক্ষার্থীপ্রতি এক সারি, সাবমিটের পাশে আনডু ও ক্লিয়ার অল, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সংশোধনযোগ্য।
অফিস যেভাবে পরীক্ষা চালায়: সিরিজ, প্ল্যানার, পেপারভিত্তিক নম্বর, আর প্রকাশ — যা ফলাফল চিরতরে স্থির করে দেয়।
সিট প্ল্যান: কক্ষের গঠন, বসানোর নিয়ম, পরীক্ষার বা ক্লাসের প্ল্যান — হাতে আঁকা ফ্লোর প্ল্যান থেকেই ছাপা চার্ট।
রুটিন চলে শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার — বাংলাদেশের স্কুল-সপ্তাহের জন্যই তৈরি, জোড়াতালি নয়।
ফোনে অভিভাবক পোর্টাল: আজকের হাজিরা, এক নজরে মাস, সর্বশেষ ফলাফল, আর বকেয়া।
সংরক্ষিত তথ্য আর নির্দিষ্ট টেমপ্লেট থেকে ছাপা রিপোর্ট কার্ড — বছরের পর বছর হুবহু একই ছাপা হবে।
বাংলা সংস্করণের রসিদ: বাংলা লেবেল, ইংরেজি অঙ্ক — স্ক্রিন আর কাগজ হুবহু এক।

চারটি রূপ, এক প্ল্যাটফর্ম

স্কুলের সাথে যুক্ত প্রত্যেকে দেখেন নিজের ঘরটুকুই — অন্য কারওটা নয়।

  • স্কুল অ্যাপ

    প্রশাসনের দিক: ওভারভিউ, একাডেমিকস, পিপল, ফাইন্যান্স, কমিউনিকেশন, অপারেশনস ও অ্যাডমিনিস্ট্রেশন — ড্যাশবোর্ড থেকে মাসিক বেতন পর্যন্ত ৩৮টি স্ক্রিন।

  • শিক্ষকের ওয়ার্কস্পেস

    একই অ্যাপে ঢুকে শিক্ষক দেখেন নিজের ঘর: নিজের সেকশন, নিজের রেজিস্টার, নিজের পেপার। হাজিরা, রুটিন, নিজের পেপারের নম্বর এন্ট্রি, ই-লার্নিং, মেসেজ — অনুমতি না থাকলে অ্যাডমিন ট্যাব নেই।

  • অভিভাবক পোর্টাল

    ফোন-ফার্স্ট, ছয়টি ট্যাব: হোম, ফি, ডকুমেন্টস, লার্নিং, মেসেজ, নোটিশ। পাঁচ সেকেন্ডে অভিভাবক জানেন — সন্তান আজ স্কুলে আছে কি না, কত পেল, কত বকেয়া।

  • শিক্ষার্থী পোর্টাল

    নিজের সাইন-ইন থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য ছোট, সরাসরি অ্যাপ: রুটিন, ফলাফল, নোটিশ। কোন ক্লাসে শিক্ষার্থীরা ঢুকবে কি না তা স্কুলই ঠিক করে — শুধু-অভিভাবক মোডও পুরোপুরি সমর্থিত।

  • শিক্ষক অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ

    পকেট থেকেই রেজিস্টার আর নম্বর — একই প্ল্যাটফর্ম, একই অনুমতি; ওয়েবে যা পারেন না, ফোনেও তা পারবেন না।

  • পরিবার অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ

    অভিভাবক ও শিক্ষার্থী পোর্টাল অ্যাপ আকারে: আজকের হাজিরা, ফলাফল, বকেয়া ফি আর নোটিশ — না-পড়া জিনিসে ব্যাজ।

ভেতরে যা আছে

মডিউলযা করে
ড্যাশবোর্ডছয়টি লাইভ টাইল আর কার্ড গ্রিড — রোল, আজ উপস্থিত, রেজিস্টার উঠেছে কি না, স্টাফ ইন, আজকের আদায়, বকেয়া।
হাজিরাসেকশনভিত্তিক রেজিস্টার, শিক্ষাদিবসে গোনা সংশোধন-সময়সীমা; সীমা পেরোলে লিখিত কারণসহ অডিটেড রিওপেন ছাড়া ফেরা নেই।
পরীক্ষা ও ফলাফলসিরিজ, প্ল্যানার, নম্বর, প্রকাশ। প্রকাশের মুহূর্তে নম্বর চিরতরে স্থির — সংশোধন মানে নতুন প্রকাশ, সম্পাদনা নয়।
ফি ও ফাইন্যান্সবিলিং, ইনভয়েস, রসিদ, আদায়ের রিপোর্ট — সব টাকায়। পোস্ট হওয়া রেকর্ড শোধরানো হয় রিভার্সালে, খাতার নিয়মেই।
বেতনএমপিওসহ মাসিক বেতন, স্যালারি স্টেটমেন্ট — টাকার প্রতিটি স্ক্রিনের মতোই কখনো-সম্পাদনা-নয় নীতি।
সিট প্ল্যান ও ফ্লোর প্ল্যাননিজ হাতে আঁকা ফ্লোর প্ল্যান — বেঞ্চ, দরজা, পিলার — পরীক্ষার ও ক্লাসের সিট প্ল্যান, প্রিন্ট করা চার্ট ও রোল শিট।
রুটিনড্র্যাগ-অ্যান্ড-ড্রপ সাপ্তাহিক গ্রিড — শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার; বাংলাদেশের স্কুল-সপ্তাহের জন্যই বানানো।
টাস্ক ও অনুমোদনস্কুল নিজেই আবেদনের ধরন ও ধাপ ঠিক করে; প্রতিটি ধাপে থাকে অনুমতির নাম, ব্যক্তির নয় — স্টাফ বদলালেও ওয়ার্কফ্লো ভাঙে না।
স্কুল ক্যালেন্ডারআগে থেকে কিছু বসানো নেই: স্কুল নিজের ছুটি ও অনুষ্ঠান ঘোষণা করে, হাজিরা সেই ক্যালেন্ডার মেনে চলে — মেকআপ ক্লাসসহ।
রিপোর্ট ও ডকুমেন্টহাজিরা রেজিস্টার, ক্লাস রেজাল্ট, ফি আদায়, শিক্ষার্থী প্রোফাইল — স্কুলের নিজের মনোগ্রামে প্রিন্ট, CSV এক্সপোর্ট, শুধু প্রকাশিত ডেটা থেকে।
ই-লার্নিংসেকশনভিত্তিক পাঠ ও উপকরণ — শিক্ষকের নিজের ক্লাসে, আর পোর্টালে অভিভাবক-শিক্ষার্থীর কাছে।
মেসেজ ও নোটিশস্কুল থেকে বাড়ি পর্যন্ত যোগাযোগ — পোর্টালে, অ্যাপে, নোটিশ বোর্ডে; পড়া হয়েছে কি না তার ব্যাজসহ।

স্কুল আসলে যা কিনছে

সবকিছুর নিচে তিনটি নিয়ম — স্ক্রিনের ভরসায় নয়, খোদ ডেটাবেসে প্রয়োগ করা:

  • প্রতিটি সারি একটি স্কুলের। প্রতিটি টেবিলে বিচ্ছিন্নতা বলবৎ, ডিফল্ট হলো নিষেধ। আপনার ডেটা অন্য স্কুলের স্ক্রিনে যাওয়ার পথই নেই।
  • টাকা কখনো সম্পাদনা হয় না। অঙ্ক নিখুঁতভাবে রাখা হয়; পোস্ট হওয়া রেকর্ড শোধরানো হয় রিভার্সালে, আর সেই রিভার্সাল রেকর্ডেই থেকে যায় — হিসাব চুপিচুপি বদলানো অসম্ভব।
  • একাডেমিক ইতিহাস কখনো মোছা হয় না। নতুন বছর মানে নতুন ভর্তি; পরিবর্তনে তারিখ থাকে। ২০২৪-এ ছাপা রেকর্ড কার্ড ২০২৯-এও হুবহু তা-ই বলবে।

প্রতিশ্রুতি নয়, প্রমাণ

ওয়াকথ্রু স্কুলের শিক্ষার্থী
২,০০০

৪০ সেকশন, ১০০ স্টাফ — এই পাতার প্রতিটি স্ক্রিনশট সেই আসল স্কুলের, মকআপ নয়

স্কুল অ্যাপের স্ক্রিন
৩৮+

ড্যাশবোর্ড থেকে মাসিক বেতন পর্যন্ত, প্রোডাক্ট ওয়াকথ্রুতে নথিবদ্ধ

ডেটাবেস মাইগ্রেশন
৯৫০+

ডেটাবেসের প্রতিটি পরিবর্তন তারিখসহ ফাইল — যোগ হয়, মোছা হয় না

স্কেলে স্কুলপ্রতি চলতি খরচ
মাসে কয়েকশ টাকা

একশ স্কুলের হিসাবে মডেল করা; হোস্টিং Cloudflare-এ, PostgreSQL ফ্রাঙ্কফুর্টে

সচরাচর জিজ্ঞাসা

হ্যাঁ — নীতিমালায় নয়, খোদ ডেটাবেসে। প্রতিটি টেবিলে স্কুল-ভিত্তিক বিচ্ছিন্নতা বলবৎ, ডিফল্ট নিষেধ। এমন কোনো স্ক্রিন, রিপোর্ট বা এক্সপোর্ট নেই যা এক স্কুলকে আরেক স্কুলের তথ্য দেখাতে পারে।

আপনার স্কুলে এডুপ্রবাহ আনুন

আগে ডেমো স্কুলটা ঘুরে দেখুন — তারপর আপনার স্কুলের সেটআপ, ডেটা মাইগ্রেশন আর দরদাম নিয়ে কথা বলুন। একটি স্কুল চালু হতে লাগে কয়েক দিন, কয়েক মাস নয়।